Submarine Communications Cable - Know about our Bangladesh

Submarine Communications Cable

সাবমেরিন কমিউনিকেশন্স কেবল

সাবমেরিন কমিউনিকেশন্স কেবল বা সাবমেরিন ক্যাবল সিস্টেম, এমন ধরনের সিস্টেম যা সমুদ্রের নিচ দিয়ে বিভিন্ন দেশের মধ্যে টেলিযোগ ব্যবস্থা স্থাপন করে ৷
এটি একটি ভিন্নধর্মী টেলিযোগাযোগ মাধ্যম । রেডিও ট্রান্সমিশনের মাধ্যমে ইথারে ছুঁড়ে দেয়া তথ্য আয়নোস্ফিয়ার হয়ে আমাদের কাছে ফেরত আসে। সাধারণত দ্রুত যোগাযোগের জন্য খুঁটির মাধ্যমে তার স্থাপন করা হয়। এটি একটি নির্দিষ্ট ভূখণ্ডে সম্ভব। কিন্তু মহাদেশ থেকে মহাদেশে যোগাযোগের জন্য সমুদ্রের নিচ দিয়ে তারের মাধ্যমে সংযোগ স্থাপন করা হয়। গভীরতার সাথে তুলনা করতে গিয়েই সাবমেরিনের সাথে মিল রেখে নাম দেয়া হয়েছে সাবমেরিন ক্যাবল।
ইতিহাস
গতানুগতিক মহাকাশের স্যাটেলাইট যোগাযোগ পদ্ধতির বিকল্প হিসেবে সাগরতল দিয়ে একদেশ দেশ থেকে আরেক দেশ কিংবা এক মহাদেশ থেকে আরেক মহাদেশে পর্যন্ত যে বিস্তৃত অত্যন্ত দ্রুতগতি সম্পন্ন যোগাযোগ ব্যবস্থা গড়ে তোলা হয়েছে তাকে আমরা সাবমেরিন ক্যাবল বলে থাকি ৷ মূলত সাগরতল বা সাবমেরিন থেকেই এই ক্যাবলটির নামকরণ হয়েছে ৷ ১৮৫০ সালে সর্বপ্রথম ফরাসী সরকার এই ধরনের ক্যাবল স্থাপনের উদ্যোগ নিয়েছিল যা ফ্রান্স এবং ইংল্যান্ডের মধ্যেকার ইংলিশ চ্যানেলের তল দিয়ে দুই দেশের টেলিগ্রাফ সংযোগের উদ্দেশ্যে কারা হয়েছিল, যদিও প্রথম চেষ্টায় তা বিফল হয়েছিল ৷ পরবর্তিতে ১৮৫৩ সালে সফলভাবে স্থাপন করা সম্ভব হয়েছিল ৷ ঐসময় যদিও কপার এর তার ব্যবহৃত হত তবে বর্তমান সময়ের সাবমেরিন ক্যাবল ব্যবস্থায় আমরা অপটিক্যাল ফাইবার বা আলোক তন্তুর বহুল ব্যবহার দেখতে পাই যা অত্যন্ত দ্রুতগতির এবং একই সঙ্গে বিভিন্ন মাধ্যম যেমন ইন্টারনেট, টেলিযোগাযোগ, বিপুল পরিমান অডিও বা ভিডিওর তথ্য বিনিময় সম্ভব ৷
   





বাংলাদেশ সাবমেরিন কেবল কোম্পানী লিমিটেড


বাংলাদেশ সাবমেরিন কেবল কোম্পানী লিমিটেড (বিএসসিসিএল)
বিএসসিসিএল দ্বারা বর্তমানে ব্যবহৃত লোগো
প্রতিষ্ঠাকাল
জুলাই ২০০৮
সদরদপ্তর
ঢাকা, বাংলাদেশ
পণ্যসমূহ
টেলিযোগাযোগ সেবা, সাবমেরিন ক্যাবল অপারেটর, আন্তর্জাতিক ইন্টারনেট গেটওয়ে (আই আই জি), ইন্টারনেট সার্ভিস প্রভাইডার (আই এস পি)
মালিক
বাংলাদেশ সরকার (৭০%), সাধারণ (৩০%)
ওয়েবসাইট
www.bsccl.com
বাংলাদেশ সাবমেরিন কেবল কোম্পানি লিমিটেড (সংক্ষেপেঃ বিএসসিসিএল) হল বাংলাদেশের একটি মূল টেলিযোগাযোগ সেবা প্রদানকারী সংস্থা। এটি বাংলাদেশের একমাত্র আন্তর্জাতিক সাবমেরিন ক্যাবল অপারেটর। সেই সাথে আন্তর্জাতিক ইন্টারনেট গেটওয়ে (আই আই জি), এবং ইন্টারনেট সার্ভিস প্রভাইডার (আই এস পি) লাইসেন্স ধারী।

ইতিহাস

বিএসসিসিএল একটি পাবলিক লিমিটেড কোম্পানি হিসেবে ২০০৮ সালের জুলাই মাসে বাংলাদেশ সরকারের ডাক ও টেলিযোগাযোগ মন্ত্রণালয়ের অধীনে আত্নপ্রকাশ করে। বাংলাদেশ সাবমেরিন কেবল কোম্পানী লিমিটেড সি-মি-উই ৪ এবং সি-মি-উই ৫ নামক দুটি আন্তর্জাতিক সাবমেরিন কেবল কনসোর্টিয়ামের সদস্য। যেটি বাংলাদেশে সাবমেরিন কেবলসের অধিক ক্ষমতা ও পর্যাপ্ততা নিশ্চিত করে। বর্তমানে সি-মি-উই ৪ কেবলটি দিয়ে বাংলাদেশের ইন্টারনেট এবং আন্তর্জাতিক ভয়েস ট্র্যাফিক চলছে। সি-মি-উই ৫ কেবল চালু হলে এটি বিকল্প সাবমেরিন কেবল সংযোগএবং আরও অধিক ক্যাপাসিটি প্রদান করবে। সি-মি-উই ৪ এর জন্য বিএসসিসিএল-এর ল্যান্ডিং স্টেশন রয়েছে কক্সবাজারে। সি-মি-উই ৫ এর জন্য বিএসসিসিএল-এর ল্যান্ডিং স্টেশন হয়েছে কুয়াকাটাতে। সংস্থাটির প্রধান কার্যালয় ঢাকা শহরে অবস্থিত।

                                                          তথ্যসূত্রঃউইকিপিডিয়া


No comments

Theme images by TommyIX. Powered by Blogger.